Breaking News

ক্যাপ্টেন নওশাদের মরদেহ কাঁধে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন পাইলটরা!

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইয়ুমের মরদেহ ভারতের নাগপুর থেকে দেশে পৌঁছেছে। সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে দোহা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে (বিজি-০২৬) মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

এসময় বিমানবন্দরে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নওশাদের মরদেহ বহনকারী ফ্লাইটটি রানওয়েতে অবতরণের আগে সেখানে উপস্থিত ছিলেন সহকর্মী পাইলটরা। প্রয়াত সহকর্মীর মরদেহ ফ্লাইট থেকে নামিয়ে নিয়ে আসেন তারা।

মরদেহ নামানোর পর ফ্লাইট থেকেই নিচে নিয়ে আসেন বিমানের পাইলটরা। কাঁধে করে নিয়ে আসেন শ্রদ্ধা নিবেদনের বেদীতে। এরপর বিমান বাংলাদেশ ও ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রায় অর্ধশতাধিক পাইলটের দল মাথা থেকে ক্যাপ

সরিয়ে তাকে সালাম প্রদান করেন। এ সময় সহকর্মীকে হারিয়ে আপ্লুত চোখে কাঁদতে দেখা যায় পাইলটদের। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সহকর্মীর কফিনটি কাঁধে নিয়ে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দেন পাইলটরা।

গত বৃহস্পতিবার বিমানের বিজি-২২ ফ্লাইটটি ওমান যায়। সেখান থেকে স্থানীয় সময় রাত ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও ঐ ফ্লাইটটি ভোর সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। ঢাকা আসার পথে ভারতের আকাশে থাকা অবস্থায় ক্যাপ্টেন নওশাদ কাইউম অসুস্থ হয়ে পড়লে ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ করানো হয়।

কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বিমানটিকে নাগপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করার সিগন্যাল দিলে কো-পাইলটই বিমানটিকে অবতরণ করান। বোয়িং ৭৩৭-৮০০ মডেলের বিমানটিতে ১২৪ জন যাত্রী ছিলেন। তারা সবাই নিরাপদেই ছিলেন।

এদিকে শুক্রবারই আরেকটি ফ্লাইটে আট সদস্যের একটি উদ্ধারকারী দল নাগপুর যায়। মধ্যরাতের পর বিমানটিকে যাত্রীসহ ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। পাঁচ বছর আগে এভাবেই আরও ১৪৯ যাত্রী আর সাত ক্রুর জীবন বাঁচিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন নওশাদ। পরে ২০১৭ সালে ক্যাপ্টেন নওশাদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রশংসাপত্র পাঠিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ক্যাপ্টেন রন অ্যাবেল।

About desk

Check Also

পুরুষের শক্তি বাড়ানোর ৪টি ঔষধি খাবার।

বর্তমান যুগে বেশিরভাগ পুরুষই যৌন সমস্যায় ভোগেন। দিন দিন এ সমস্যা প্রকট হচ্ছে। কিছু খাবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Comments

No comments to show.